মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে ভাষা-সংস্কৃতি ধারণ করবে, এইটাই সঠিক রাজনীতি: ড. মির্জা গালিব
এবার যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ড. মির্জা গালিব বলেছেন, ‘এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এখন তার আইডেন্টিটি। বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আত্মস্থ করবে—এইটাই সঠিক রাজনীতি।’ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে মির্জা গালিব লেখেন, ‘মানুষের সকল সমাজেই কালচার তৈরি হয়। কালচার আসে মানুষের ধর্ম থেকে, বিশ্বাস থেকে, ভাষা থেকে, পারিপার্শিকতা থেকে, পরিবেশ-প্রতিবেশ থেকে। মানুষ সারাক্ষণ কঠিন কঠিন একাডেমিক আলাপ-আলোচনা আর কাজের মধ্যে থাকতে পারে না। তার শ্বাস ফেলতে হয়, বিশ্রাম নিতে হয়, বিনোদন লাগে। এগুলো খুবই স্বাভাবিক মানবিক প্রক্রিয়া।’
ইসলামে উৎসব পালন নিয়ে গালিব বলেন, ‘কোন অনুষ্ঠান বা কালচার যদি অন্য ধর্মের ধর্মীয় ইবাদত বা উপাসনা না হয়, এবং তার উদযাপন প্রক্রিয়ার মধ্যে যদি ইসলামবিরোধী উপাদান না থাকে, তাহলে সেটা সাধারণত ইসলামের দিক থেকে অগ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই, যেসব সাংস্কৃতিক উপলক্ষ বা উৎসব আমাদের সমাজে আছে, যদি ইতিহাসের দিক থেকে সেগুলো ইসলামবিরোধী না হয়ে থাকে, তাহলে সেগুলোর ইসলামবিরোধী উদযাপন প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে পালন করার মধ্যে দোষের কিছু নেই ‘
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি বাংলাদেশি মুসলমানেরও। মুসলমানদের হাতেই এই অঞ্চলের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশ হয়েছিল। শুধুমাত্র পাকিস্তান পিরিয়ডে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ইসলাম থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এটি ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতি। বাংলাদেশ এখন স্বাধীন দেশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এখানে এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই। এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এখন তার আইডেন্টিটি। বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আত্মস্থ করবে—এইটাই সঠিক রাজনীতি।’
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























মন্তব্য