বাংলাদেশকে পাশের দেশের অঙ্গরাজ্য বানাতেই পিলখানা হত্যা: রফিকুল ইসলাম খান
এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, দেশপ্রেমিক সেনাকর্মকর্তাদের হত্যা করা, দেশের সীমানা অরক্ষিত করা এবং পাশের দেশ যেন এ দেশকে তাদের অঙ্গরাজ্য বানাতে পারে—এমন একটি পরিকল্পনা ছিল। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই জামায়াতের সফল মন্ত্রী নিজামী, মুজাহিদসহ ১১ জনকে বিচারের নামে প্রহসন করে ফাঁসির মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।
বিডিআর বিদ্রোহের মর্মান্তিক ও নৃশংস ঘটনার বিচারের দাবি এবং নিহত শহীদদের স্মরণে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
রফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, জামায়াত বাংলাদেশের একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী আদর্শিক শক্তি। দমন-পীড়নের মাধ্যমে কোনো আদর্শিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করা যায় না—জামায়াতকেও যায়নি। পিলখানা হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ঘটনার সঠিক বিচার আজও হয়নি। এর দায়ে সে সময়ের সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
সরকারের চাঁদাবাজিবিরোধী অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াত নেতা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কথা বললেও নারায়ণগঞ্জে চাঁদাবাজি নিয়ে সম্প্রতি প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদের পরও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগে জামায়াত সমর্থন জানাবে উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকারের ভালো কাজকে আমরা সমর্থন জানাই। কিন্তু দেশবিরোধী ও মানবতাবিরোধী কোনো কাজ দেখলে সংসদে হোক বা রাজপথে হোক—আমরা আওয়াজ তুলব।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
