জাহানারার অভিযোগে নিষিদ্ধ সেই মঞ্জুরুল
সাবেক ক্রিকেটার ও নারী দলের সাবেক নির্বাচুক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির চারটি অভিযোগ করেছিলেন সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলম। তার সেই চার অভিযোগের ভিত্তিতে গেল ৪ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় স্বাধীন কমিটি, যেখানে দুটি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় মঞ্জুর বিরুদ্ধে।
সেই তদন্ত প্রতিবেদন আরো খতিয়ে দেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), নিতে যাচ্ছে কঠোর পদক্ষেপ। রোববার দুপুরে অনলাইনে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় মঞ্জুকে দেশের সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে বিসিবি। আরো জানা গেছে, আইনী লড়াইয়ে নামলে জাহানারাকে সহযোগিতা করবে বিসিবি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে টাইমস অব বাংলাদেশকে।
বর্তমানে চীনে অবস্থান করা মঞ্জুর বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্ত কমিটির কাছে মোট চারটি অভিযোগ পেশ করেছিলেন জাহানারা। বিসিবি জানায়, এর মধ্যে দুইটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। বাকি দুইটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঞ্জুর বিপক্ষে প্রমাণ ছিল তদন্ত প্রতিবেদনে।
এই দুই অভিযোগ পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি জানায়, মঞ্জুর আচরণ পেশাগত মানদণ্ডের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং তার কিছু কর্মকান্ড সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার আওতায় অসদাচরণ ও হয়রানির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিসিবি।
২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। এরপর তোলপাড় পড়ে যায় ক্রিকেট পাড়ায়।
গত ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিমকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট স্বাধিন তদন্ত কমিটি গঠন করে বিসিবি। পরবর্তীতে সেটা বাড়ানো হয় পাঁচ সদস্যে। যদিও তিন দফায় পেছানোর পর গত ২ ফেব্রুয়ারি বিসিবিতে জমা পড়েছে প্রতিবেদন। বিসিবি সভাপতির হাতে সেই প্রতিবেদন তুলে দেন তারিক উল হাকিম।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
