ট্রাম্পের কারণে ফাইনালে আধা ঘণ্টা দেরি, বিরক্ত দর্শকরা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে দেরিতে শুরু হয়েছে ইউএস ওপেন পুরুষ এককের ফাইনাল। নিরাপত্তাজনিত কড়াকড়িতে অনেক দর্শকও খেলা শুরুর আগে মাঠে ঢুকতে পারেননি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথমবার ইউএস ওপেন ফাইনাল দেখতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অবশ্য সুখকরও হয়নি।
আলকারাজের জয়ে যখন নিউইয়র্কের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়াম করতালিতে মুখর, তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বিমর্ষ। তার মুখভঙ্গি ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ‘মিম’ হয়ে।
২০১৫ সালে সর্বশেষ ইউএস ওপেন দেখতে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এবারই প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে হাজির হন তিনি। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফাইনাল শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় দুপুর ২টায়। কিন্তু ট্রাম্পের নিরাপত্তার কারণে খেলা পিছিয়ে যায় আধা ঘণ্টা। দর্শকদের প্রবেশের জন্য খোলা হয় মাত্র একটি দরজা, যেখানে বিমানবন্দর পর্যায়ের স্ক্যানিংয়ে সময় লেগে বাইরে ভিড় জমে যায়। খেলা শুরু হওয়ার সময়ও গ্যালারির অনেক আসন ফাঁকা ছিল।
স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে স্টেডিয়ামে পৌঁছান ট্রাম্প। দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়লেও সাড়া মেলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায়—কেউ উল্লাস, কেউ দুয়ো দেন। জাতীয় সংগীত চলাকালে প্রথমে উল্লাস শোনা গেলেও দ্রুত তা চাপা পড়ে যায় দুয়ো ধ্বনিতে। খেলার প্রথম গেম শেষে আবারও পর্দায় ট্রাম্পকে দেখানো হলে দীর্ঘ সময় ধরে দুয়ো দিতে থাকেন দর্শকেরা।
আয়োজকেরা আগেই সম্প্রচারকদের সতর্ক করেছিলেন, ট্রাম্পকে নিয়ে কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া যেন না দেখানো হয়। কিন্তু দর্শকের প্রতিক্রিয়া লুকোনো সম্ভব হয়নি।
ফাইনালে ইয়ানিক সিনারকে ৬-২, ৩-৬, ৬-১, ৬-৪ গেমে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউএস ওপেন শিরোপা জেতেন কার্লোস আলকারাজ। গ্যালারিতে সবাই উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দেন, ট্রাম্পও দাঁড়ালেন কিন্তু তার মুখে ছিল কেবল বিমর্ষতা।
আলকারাজের জয়ের পর ট্রাম্পের সেই অভিব্যক্তি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্র। কেউ মজা করে লিখেছেন,‘মিস্টার ট্রাম্প, আলকারাজ মেক্সিকান নন।’ আবার কেউ দৈনন্দিন জীবনের ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে বানিয়েছেন মিম।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
