হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে, স্পষ্ট করা হলো টোল কীভাবে দিতে হবে
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। আলোচনার অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি। এ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ও এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করা হয়। খবর বিবিসির।
ইরানের সংবাদ সংস্থা প্রেস টিভি নিউজ, মেহের নিউজ ও তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবেয়ি হরমুজ প্রণালিকে তেহরানের জন্য একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, প্রণালিটি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং এখান দিয়ে যেকোনো দেশের জাহাজ চলাচলের জন্য অবশ্যই ইরানি মুদ্রা ‘রিয়ালে’ টোল পরিশোধ করতে হবে।
অন্যদিকে, শনিবার (১১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এ জলপথ ‘শিগগিরই খুলে দেয়া’ হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের দুটি সামরিক জাহাজ ইতিমধ্যে প্রণালিটি পার হয়েছে। সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণের একটি ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করে।
তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ওয়াশিংটনের এ দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো সামরিক জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করা হলে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিপ্লবী গার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাধারণ বেসামরিক জাহাজগুলোকে সুনির্দিষ্ট শর্তে এখান দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হতে পারে।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সর্বশেষ
Office: Airport haji camp
Phone: +8801712856310
Email: sangbadbela@gmail.com
Developed by RL IT BD
মন্তব্য