যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া ট্রাম্পের কাছে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না

৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১:১৯

এবার ইরানের ওপর পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের অনুরোধে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর দুই সপ্তাহ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে ইরান।

ইরান বিষয়ক একজন পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন, কারণ তার হাতে ‘আর কোনো ভালো বিকল্প’ ছিল না। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কুইন্সি ইনস্টিটিউটের ড. ত্রিতা পারসি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একটি ব্যাপক যুদ্ধ ‘ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিকে ধ্বংস করে দেবে’।

পারসি বলেন, ‘তিনি উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বড় বড় কথা বলছিলেন, কিন্তু এই অঞ্চলের সবাই জানত যদি ইরানের জ্বালানি সম্পদ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর হামলা করা হয় তাহলে ইরানীরা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। আর আমরা এখনকার চেয়ে অনেক, অনেক ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের সম্মুখীন হব।’

তিনি আরও বলেন, ‘তার এখান থেকে বেরিয়ে আসা দরকার ছিল। তিনি আজ সকালে হুমকিগুলো দিয়েছিলেন এটা বোঝানোর জন্য যে, আজ সন্ধ্যার মধ্যে তিনি যে চুক্তিতে আসবেন তা তার শর্তেই সম্পন্ন হবে।’ কিন্তু আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখলে মনে হয়, তা ছিল না। এমনকি তার নিজের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনা ইরানিদের ১০-দফা পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে হবে, যেটি অনেক বেশি যুক্তিসঙ্গত পরিকল্পনা।

Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য