জামায়াত ক্ষমতায় আসলে কাউকে একটি ফুলের টোকাও দেওয়া হবে না: ছাত্রশিবির সভাপত
কোন দল ক্ষমতায় গেলে নির্বাচনের পরের দিন থেকে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তার একটা অনুমান তুলে ধরেছেন ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এই অনুমান তুলে ধরেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের ব্যাপারে সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে জনগণকে নিয়ে শুকরানা নামাজ আদায় করা হবে। কাউকে একটি ফুলের টোকাও দেওয়া হবে না। সারাদেশ থেকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, দখলদারি ও দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে। সরকারি অফিস-আদালতে ঘুষ ছাড়াই সব কাজ সম্পন্ন করা যাবে। সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মা-বোনেরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারবেন।
অন্যান্য দলের ব্যাপারে মন্তব্য করে তিনি বলেন, অন্য দল ক্ষমতায় এলে জয়ের দিন রাতেই রাস্তা বন্ধ করে বিজয় মিছিল করা হবে। বিরোধী মতের ওপর আক্রমণ হবে, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ঘের-বেড়া দখল করা হবে। আন্তঃকোন্দলে নিজের দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ, এমনকি হত্যার ঘটনাও ঘটতে পারে। প্রতিটি স্থানে চাঁদাবাজি শুরু হবে। সন্ত্রাসে ছেয়ে যাবে গোটা জনপদ। মা-বোনেরা শাসকগোষ্ঠীর কাছে নির্যাতনের শিকার হবেন। দুর্নীতি ও ঘুষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে। ক্যাম্পাসের হল দখল, মাদক সিন্ডিকেট গঠন, টেন্ডার বাণিজ্য, অন্য ছাত্র সংগঠনগুলোকে ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন ও ক্যাম্পাসছাড়া করা হবে। এর বাইরে টাকা পাচার ও ব্যাংক লুটের ঘটনাও ঘটবে।
শেষে প্রশ্ন ছুড়ে তিনি বলেন, কেমন দেশ দেখতে চান? এখন সিদ্ধান্ত আপনারই হাতে..। উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট উপলক্ষে বুধ (১১ ফ্রেব্রুয়ারি) ও পরদিন বৃহস্পতিবার (১২ ফ্রেব্রুয়ারি) ভোটের দিন সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


























মন্তব্য