প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

ইনসাফকে রুখে দেওয়ার জন্য কারা কাজ করছে, জানতে চাই: রাশেদ প্রধান

৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৮:৪৩

এবার ইনসাফকে রুখে দেওয়ার জন্য কারা কাজ করছে—তা জাতির সামনে পরিষ্কার করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধান। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

এদিন সমাবেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদির কথা মনে আছে তো, নাকি? এক শুক্রবার তাকে গুলি করা হয়েছিল, আরেক শুক্রবার তিনি শহীদ হয়েছিলেন। আজ আবার একটি শুক্রবার। আজ তার রেখে যাওয়া সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের ওপর গুলি করা হয়েছে।’ রাশেদ প্রধান বলেন, জাবেরসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের দাবি ছিল একটাই। হাদী যে ইনসাফ চেয়েছিল, সেই ইনসাফ এবং বিচারের দাবিতে তারা ঢাকায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। তাদের একমাত্র দাবি ছিল, হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার যেন জাতিসংঘের মাধ্যমে হয়। শুধু এই দাবি তোলার কারণেই তাদের ওপর আজ নির্মমভাবে হামলা চালানো হয়েছে, গুলি করা হয়েছে এবং তাদের আহত করা হয়েছে।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আজ ইনসাফ কোথায়? যে ইনসাফের খোঁজে আমরা ৫ আগস্ট হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে একটি নতুন বাংলাদেশ চেয়েছিলাম, সেই ইনসাফকে রুখে দেওয়ার জন্য কারা কাজ করছে, আমরা সেটা জানতে চাই। কারা হাদি হত্যার বিচার চায় না? কারা এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চায় না? তদন্ত ও বিচার হলে কাদের নাম সামনে আসবে? কারা সেই নামগুলো রক্ষা করতে চায়? কারা ভারতের সেই সাতজন?’ তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের নাম জানতে চাই। বিএনপি নিয়ে অনেক কিছু বলা হচ্ছে—ঠিক আছে। কিন্তু তাদের বিদেশে আরও একটি ঘটনা লুকিয়ে রাখা আছে। স্বাধীনতার বিচার হলে কাদের নাম নিতে হবে, কাদের নাম পাঠাতে হবে, কাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে সবকিছু আমরা জানতে চাই।’ রাশেদ প্রধান তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘লন্ডন থেকে এক নতুন মুফতি এসেছে—আপনারা জানেন কি না। আসার পর থেকেই তারা অসংখ্য স্বপ্ন দেখানো শুরু করেছে। তারা বলছে, তারা মা ও বোনদের হাতে কাক তুলে দেবে, সম্মান দেবে। এই ঘোষণা দিয়েই তারা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের ওপর হামলা শুরু করেছে।’

ফরিদপুরের তরুণ ও যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই এলাকার ভাইয়েরা কি ঘুমিয়ে গেছে? এই এলাকার মা-বোনদের গায়ে যদি অত্যাচার হয়, যদি তাদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে নতুন জালেম বিএনপির কালো হাত ভেঙে কুড়িয়ে দিতে হবে। মামলা হলে বলবেন, রাশেদ প্রধান আসামি দিয়েছে—আমি আসামি হতে প্রস্তুত।’ বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, ‘আমরা যে মানবিক বাংলাদেশ চাই, আমরা যে বাংলাদেশে হাদি হত্যার বিচার চাই, সেই বাংলাদেশ গড়তে হলে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যকে জয়যুক্ত করতে হবে।’

Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য