বান্ডেল টাকা দিয়ে গণ অধিকারের নেতা বললেন, এগুলো দিয়ে সকালে সিসা খাইবা
এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক এসকে শফিকুল ইসলাম শুভ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে একাধিক টাকার বান্ডেল প্রদর্শন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হলে তাকে শুরু হয় বিতর্ক ও সমালোচনা। শফিকুল ইসলাম শুভ’র পোস্ট করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়- তিনি টাকার বান্ডেলগুলো আলাদা আলাদা ভাগে সাজিয়ে রেখে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলছেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘নির্বাচন প্রচারণার জন্য এই চার বান্ডেল দিলাম ব্যানার–ফেস্টুনের জন্য।
আর এটি লাগাইবা শুধু মোটরসাইকেল বহরের জন্য। আর এটি রাখো নির্বাচনের দিন চা–সিগারেট খাওয়াইবার জন্য মানুষকে দিবা। এই ৭/৮ বান্ডেল যেগুলো আছে—এগুলো দিয়ে সকাল বেলা সিসা খাইবা, বইসা বইসা…’ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমনভাবে টাকার বান্ডেল প্রদর্শন করাকে অনেকেই ‘অশোভন’, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন’ ও ‘অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে মন্তব্য করছেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ভিপি নূরের গণঅধিকার পরিষদকে বাঞ্ছারামপুর পরিচিত করিয়েছি। দলের জন্য বান্ডেল টাকা খরচ করেছি। দলের জন্য হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছি। দলে ডোনেশন দিয়েছি।
দলকে এলাকায় পরিচিত করালাম। এখন আমাকে বাদ দিয়ে আরেক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে দিল!’ ভিডিওটি পোস্ট নিয়ে বলেন, ‘একটি পক্ষ গণঅধিকার পরিষদের আমার লিডারের কাছে বলেছে আমার নাকি টাকা-পয়সা নাই, আমাকে কেন নমিনেশন দিবে। হয়তো বিরোধী দলের প্রার্থী এই কথা পৌঁছাইছে। তাহলে আমার টাকা-পয়সা নেই—এই শব্দ তারা কোথায় থেকে পেলো? আমি ২টা কম্পানির মালিক—এইডা কি তাদের জানার দরকার নাই? আমি সরকারকে যেই ট্যাক্স গুলো দিছি, এই টাকা দলের ফান্ডেও ছিল না।’ ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, ‘বাঞ্ছারামপুরে প্রতিষ্ঠিত করেছি গণ অধিকার পরিষদ। সেই জায়গা থেকে আমাকে নিয়ে আলোচনা করলে তো আমার একটা ক্ষোভ আসবে। এজন্যই এই টাকার বান্ডেল ফেসবুকে প্রদর্শন করা। আমার টাকা নেই—আয় দেখ, টাকা আছে কি বা নাই।’
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


























মন্তব্য