সাংবাদিক মুনজুরুল করিমের কফিশপ ভাঙচুর
ফাইল ছবি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও তালাশের সাবেক উপস্থাপক মুনজুরুল করিমের কফিশপ ‘ওরোমো’ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার (১৮ আগস্ট ২০২৫) দুপুরে গুলশান-২ এর ল্যান্ডমার্ক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে মুনজুরুল করিম অভিযোগ করেন, গুলশানের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে চলা ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো অক্ষত থাকলেও বৈধভাবে পরিচালিত ‘ওরোমো’ কফিশপে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়।
তিনি লেখেন, “গুলশান-২ এ রংপুর চায়ের দোকান আর বার্গার কিং-এর গলিটা গুলশানের গুলিস্তান হয়ে গেছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে রাস্তা পর্যন্ত দখল হয়ে গেছে, অথচ সেগুলো উচ্ছেদ হয়নি। অথচ নিয়ম মেনে ব্যবসা করা দোকানকে লক্ষ্যবস্তু করা হলো।”
অভিযানের পেছনে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
যোগাযোগ করা হলে মুনজুরুল করিম বলেন, “ছয় বছর ধরে তিনজন পার্টনার মিলে এই কফিশপ পরিচালনা করছি। অথচ বৈধ দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টির পেছনে ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকতে পারে।”
ওরোমোর আরেক পার্টনার ও দোকান পজিশনের মালিক আসলাম বিশ্বাস বলেন, “মার্কেটের পজিশন কিনে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বৈধ ব্যবসা করছি। দোকানটি অবৈধ নয়। তবুও পূর্ব নোটিশ ছাড়াই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দোকান ভাঙচুর করেছেন।”
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী জানান, এটি সিটি করপোরেশনের নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ, যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমান। তার দাবি, “দোকানের সামনে ফুটপাতে অবৈধভাবে মালামাল রাখা হয়েছিল এবং শেড দেওয়া হয়েছিল।”
তবে এই দাবি অস্বীকার করে আসলাম বিশ্বাস বলেন, “দোকানের সামনের পুরো জায়গা সিটি করপোরেশনের নয়, বরং মার্কেটের নিজস্ব জায়গা। সেই অংশেই মালামাল রাখা হয়েছিল।”
স্থানীয়রা জানান, আশপাশের ভবনগুলোর সামনেও স্থায়ী শেড রয়েছে, তবে সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি প্রতিদিন বিকেল থেকে গুলশানের ওই এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো রাস্তা দখল করে ব্যবসা চালালেও কর্তৃপক্ষের তেমন তৎপরতা চোখে পড়ে না।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সর্বশেষ
Office: Airport haji camp
Phone: +8801712856310 Email: sangbadbela@gmail.com
Developed by RL IT BD
মন্তব্য