শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ণ

লাশের কফিন নিয়ে আহমাদুল্লাহর আবেগঘন স্ট্যাটাস

১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১:০৪:৩০

আকাশপথে পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় যাচ্ছিলেন ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। পথে যাত্রাবিরতিতে তার চোখ আটকে যায় বিমানবন্দরে পড়ে থাকা লাশের কফিনের ওপর। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘উগান্ডা যাওয়ার পথে কেনিয়ার নাইরোবি বিমানবন্দরে আমাদের যাত্রাবিরতি হয়েছিল। সেখানেই স্বজনহীন নিঃসঙ্গ এক লাশের কফিনের ওপর চোখ আটকে যায় আমাদের। লাশ, যখন তার আয়ু ছিল, অন্য কোনো দেশ থেকে কাজের সূত্রে হয়তো কেনিয়া এসেছিল। আর এই কেনিয়াতেই লেখা ছিল তার মৃত্যু।’

শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও লিখেছেন, ‘লাশের কফিনটি একাকী বাড়ি ফিরছে, পাশে নেই কোনো কাছের মানুষ। এমনকি বিমান-যাত্রীদের মালামালের স্থানে ঠাঁই হয়েছে কফিনটির। যেন নিষ্প্রাণ মালামাল ছাড়া সে এখন অন্য কিছু নয়। নিশ্চয়ই এই মানুষটির বুকভরা অনেক স্বপ্ন ছিল। আমরাও তার মতো অনেক স্বপ্ন বুকে নিয়ে পৃথিবী দাবড়ে বেড়াই। স্বপ্ন পূরণের পথে কখনো কখনো হালাল-হারামের তোয়াক্কা করি না। কিন্তু আমাদের শেষ পরিণতিও কফিনের ওই মানুষটির চেয়ে আলাদা নয়।’

পোস্টে নবীজির (সা.) নসিহতের কথা উল্লেখ করে শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও লিখেছেন, ‘নিঃসঙ্গ কফিনটি পৃথিবীর ক্ষণস্থায়িত্ব আর অনিশ্চয়তার কথাই মনে করিয়ে দেয় বারবার। মনে করিয়ে দেয় সেই হাদিসটির কথা, যে হাদিসে নবীজি (সা.) পৃথিবীতে মুসাফিরের মতো বসবাস করার নসিহত করছেন। সত্যিই, পৃথিবী এক ক্ষণস্থায়ী সরাইখানা ছাড়া কিছু নয়, আর আমরা সবাই মুসাফির। মুসাফিরের পথচলা একদিন শেষ হবে আর তাকে পৌঁছাতে হবে আপন ঠিকানায়। তবু ক্ষণস্থায়ী এই পথের মোহে আমরা ভুলে যাই প্রকৃত ঠিকানার কথা। যে ঠিকানায় অপেক্ষা করছে চির সুখের জান্নাত।’

Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য

Editor & Publisher: Md. Abdullah Al Mamun

Office: Airport haji camp

Phone: +8801712856310 Email: sangbadbela@gmail.com

Developed by RL IT BD