ভিভোর সাথে তাহসানের নতুন যাত্রা
ভিভোর রঙিন যাত্রায় যুক্ত হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান রহমান খান। গ্লোবাল স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন জনপ্রিয় এই তারকা। দেশে যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় থাকা ভিভোর ভি সিরিজের পরবর্তী স্মার্টফোন তুলে ধরবেন তাহসান খান।
ভিভোর ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজের এক পোস্টে এমন বিষয় সামনে আসে তাহসান ভক্তদের মাঝে। নতুন এই যাত্রায় ভক্তদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন জনপ্রিয় এই তারকা।
সঙ্গীত ও সুর দিয়ে বিনোদন জগতে দারুণভাবে যাত্রা শুরু করেন তাহসান খান। ‘প্রেমাতাল’ , ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’ সহ বিভিন্ন গানে মুগ্ধ করে রেখেছেন গানপ্রেমীদের। তাঁর গড়া এক সময়ের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘ব্ল্যাক’ দারুণ সব গান উপহার দিয়েছে। পরে অভিনয় জগতেও নাম লিখিয়েছেন তাহসান। ‘কাছের মানুষ’ ধারাবাহিকে দারুণ অভিনয় করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। এরপর অসংখ্য নাটকে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন তিনি। ‘অফবিট’, ‘মধুরেণ সমাপয়েৎ’, ‘এলিয়েন ও রুম্পার গল্প’, ‘এংরি বার্ড’সহ একাধিক নাটকে তাহসানের অভিনয় ছিল অসাধারণ। ২০১৯ সালে ‘যদি একদিন’ এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নাম লেখান তাহসান। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
শুধু তাই নয়, তাহসান জনপ্রিয়তা পেয়েছেন লেখালেখির জগতেও। ২০২১ সালে বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে তাঁর প্রথম বই ‘অনুভূতির অভিধান।’ বইটি বেশ সাড়া ফেলেছিল। সংগীত চর্চা, অভিনয়ের পাশাপাশি তাহসান উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। পরে দেশে ফিরে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন তিনি। শিখছেন এখনও, যুক্ত হয়েছেন সংগীত ও অভিনয়সম্পর্কিত পড়াশোনায়। নিজেকে ছাড়িয়ে নতুনত্বের খোঁজে আছেন এই শিল্পী।
ভিভো প্রসঙ্গে
ভিভো একটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন করে। মানুষ আর ডিজিটাল ওইয়ার্ল্ডের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। অনন্য সৃজনশীলতার মাধ্যমে ভিভো ব্যবহারকারীদের হাতে যথোপযুক্ত স্মার্টফোন ও ডিজিটাল আনুষাঙ্গিক তুলে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধকে অনুসরণ করে ভিভো টেকসই উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করেছে; সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হওয়াই যার ভিশন।
স্থানীয় মেধাবী কর্মীদের নিয়োগ ও উন্নয়নের মাধ্যমে শেনজেন, ডনগান, নানজিং, বেজিং, হংঝু, সাংহাই, জিয়ান, তাইপে, টোকিও এবং সান ডিয়াগো এই ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রে (আরএন্ডডি) কাজ করছে ভিভো। যা স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট কনজ্যুমার টেকনোলজির উন্নয়ন, ফাইভজি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন, ফটোগ্রাফি এবং আসন্ন প্রযুক্তির ওপর কাজ করে যাচ্ছে। চীন, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ভিভোর পাঁচটি প্রোডাকশন হাব আছে (ব্র্যান্ড অথোরাইজড ম্যানুফ্যাকচারিং সেন্টারসহ) যেখানে বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন স্মার্টফোন বানানোর সামর্থ্য আছে। এখন পর্যন্ত ৬০টিরও বেশি দেশে বিক্রয়ের নেটওয়ার্ক আছে ভিভোর এবং বিশ্বজুড়ে ৪০০ মিলিয়নের বেশি ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছে।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


























মন্তব্য