১৪ শিক্ষকের কলেজে ২ শিক্ষার্থী, পাশ করেনি কেউ
ছবি: সংগৃহীত
এবারের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে কোনও শিক্ষার্থী পাস করেননি। এই কলেজ থেকে দুই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন এবং শিক্ষক সংখ্যা ১৪ জন। গত বছরও কলেজটি শতভাগ অকৃতকার্যের তালিকায় ছিল। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কলেজটির অধ্যক্ষ আবু তাহের খন্দকার নব।
তিনি বলেন, ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে এ বছরের রিয়া খাতুন ও রাফিয়া আক্তার নামের দুই শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তারা ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। আজ ফল প্রকাশে ওই দুই শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ আমাদের কলেজ থেকে এ বছর কেউ পাস করেনি। গত বছরেও শতভাগ অকৃতকার্যের তালিকায় ছিল এই কলেজ। তিনি আরও বলেন, কলেজটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র পাঠদানের অনুমতি নিয়ে কলেজটি চালানো হয়। এরই মধ্যে কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগসহ সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে বসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কলেজটির নিজস্ব কোনও জায়গা এবং অবকাঠামো নেই। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা দাবিদার তাহের খন্দকার তার বড় ভাইয়ের জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে কলেজটি প্রতিষ্ঠা দেখান। কিছু দিন আগে সেই জমিও দখলে নেন তার ভাই। বর্তমানে কলেজে কোনও ছাত্র-ছাত্রী নেই। অথচ শুধু সাইনবোর্ড দেখিয়ে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার একাধিক শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছেন। বর্তমানে ১৪ জন শিক্ষক আছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এবার এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলে দিনাজপুর বিভাগের ৮টি জেলার মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে গাইবান্ধা জেলা। এই জেলার পাসের হার ৭৬.৮০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪৯৮ জন শিক্ষার্থী।
Sangbad Bela’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


























মন্তব্য